THE HIMALAYAN TALK: INDIAN GOVERNMENT FOOD SECURITY PROGRAM RISKIER

http://youtu.be/NrcmNEjaN8c The government of India has announced food security program ahead of elections in 2014. We discussed the issue with Palash Biswas in Kolkata today. http://youtu.be/NrcmNEjaN8c Ahead of Elections, India's Cabinet Approves Food Security Program ______________________________________________________ By JIM YARDLEY http://india.blogs.nytimes.com/2013/07/04/indias-cabinet-passes-food-security-law/

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS CRITICAL OF BAMCEF LEADERSHIP

[Palash Biswas, one of the BAMCEF leaders and editors for Indian Express spoke to us from Kolkata today and criticized BAMCEF leadership in New Delhi, which according to him, is messing up with Nepalese indigenous peoples also. He also flayed MP Jay Narayan Prasad Nishad, who recently offered a Puja in his New Delhi home for Narendra Modi's victory in 2014.]

THE HIMALAYAN DISASTER: TRANSNATIONAL DISASTER MANAGEMENT MECHANISM A MUST

We talked with Palash Biswas, an editor for Indian Express in Kolkata today also. He urged that there must a transnational disaster management mechanism to avert such scale disaster in the Himalayas. http://youtu.be/7IzWUpRECJM

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS LASHES OUT KATHMANDU INT'L 'MULVASI' CONFERENCE

अहिले भर्खर कोलकता भारतमा हामीले पलाश विश्वाससंग काठमाडौँमा आज भै रहेको अन्तर्राष्ट्रिय मूलवासी सम्मेलनको बारेमा कुराकानी गर्यौ । उहाले भन्नु भयो सो सम्मेलन 'नेपालको आदिवासी जनजातिहरुको आन्दोलनलाई कम्जोर बनाउने षडयन्त्र हो।' http://youtu.be/j8GXlmSBbbk

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS LASHES OUT KATHMANDU INT'L 'MULVASI' CONFERENCE

अहिले भर्खर कोलकता भारतमा हामीले पलाश विश्वाससंग काठमाडौँमा आज भै रहेको अन्तर्राष्ट्रिय मूलवासी सम्मेलनको बारेमा कुराकानी गर्यौ । उहाले भन्नु भयो सो सम्मेलन 'नेपालको आदिवासी जनजातिहरुको आन्दोलनलाई कम्जोर बनाउने षडयन्त्र हो।' http://youtu.be/j8GXlmSBbbk

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS BLASTS INDIANS THAT CLAIM BUDDHA WAS BORN IN INDIA

THE HIMALAYAN VOICE: PALASH BISWAS DISCUSSES RAM MANDIR

Published on 10 Apr 2013 Palash Biswas spoke to us from Kolkota and shared his views on Visho Hindu Parashid's programme from tomorrow ( April 11, 2013) to build Ram Mandir in disputed Ayodhya. http://www.youtube.com/watch?v=77cZuBunAGk

THE HIMALAYAN TALK: PALSH BISWAS FLAYS SOUTH ASIAN GOVERNM

Palash Biswas, lashed out those 1% people in the government in New Delhi for failure of delivery and creating hosts of problems everywhere in South Asia. http://youtu.be/lD2_V7CB2Is

Palash Biswas on BAMCEF UNIFICATION!

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS ON NEPALI SENTIMENT, GORKHALAND, KUMAON AND GARHWAL ETC.and BAMCEF UNIFICATION! Published on Mar 19, 2013 The Himalayan Voice Cambridge, Massachusetts United States of America

BAMCEF UNIFICATION CONFERENCE 7

Published on 10 Mar 2013 ALL INDIA BAMCEF UNIFICATION CONFERENCE HELD AT Dr.B. R. AMBEDKAR BHAVAN,DADAR,MUMBAI ON 2ND AND 3RD MARCH 2013. Mr.PALASH BISWAS (JOURNALIST -KOLKATA) DELIVERING HER SPEECH. http://www.youtube.com/watch?v=oLL-n6MrcoM http://youtu.be/oLL-n6MrcoM

Imminent Massive earthquake in the Himalayas

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS CRITICIZES GOVT FOR WORLD`S BIGGEST BLACK OUT

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS CRITICIZES GOVT FOR WORLD`S BIGGEST BLACK OUT

THE HIMALAYAN TALK: PALASH BISWAS TALKS AGAINST CASTEIST HEGEMONY IN SOUTH ASIA

Palash Biswas on Citizenship Amendment Act

Mr. PALASH BISWAS DELIVERING SPEECH AT BAMCEF PROGRAM AT NAGPUR ON 17 & 18 SEPTEMBER 2003 Sub:- CITIZENSHIP AMENDMENT ACT 2003 http://youtu.be/zGDfsLzxTXo

Welcome

Website counter
website hit counter
website hit counters

Tweet Please

Palash Biswas On Unique Identity No1.mpg

Sunday, November 1, 2015

This story is posted from Bangladesh which tells about the destruction of Sundar Bans under government initiative in detail! However,it is the same story across the border and we have been warning against this man made calamity. Palash Biswas

This story is posted from Bangladesh which tells about the destruction of Sundar Bans under government initiative in detail! However,it is the same story across the border and we have been warning against this man made calamity.
Palash Biswas
সুন্দরবন বিনাশী প্রকল্প নিয়ে সরকার-কোম্পানির প্রলাপ

​   ​
আনু মুহাম্মদ

গত কিছুদিনে সুন্দরবনধ্বংসী প্রকল্প নিয়ে সরকার ও কোম্পানির তৎপরতা অনেক বেড়েছে। সুন্দরবন রক্ষার রোডমার্চে পুলিশী হামলারামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের পক্ষে ভুল ও মিথ্যাচারে ভরা কোম্পানির প্রচারণামন্ত্রী ও মন্ত্রী আকাঙ্খীদের সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন নিয়ে কুৎসাসুন্দরবন এলাকায় ১১ সচিবের সফর ও সাংবাদিকদের ডেকে ভুল কথাবার্তাবিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীরও একইরকম সাফাই চেষ্টা ইত্যাদি পরপর ঘটেছে।
চটকদার বিজ্ঞাপন দিলেই যেমন একটি পণ্যের মান ভালো বোঝায় নাতেমনি বিজ্ঞাপনের ঢঙে এক অসত্য কথা বারবার বললেই তা সত্য হয়ে যায় না। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কথাবার্তা তেমনই। বিশেষজ্ঞ মত ও জনমত পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে একটি সর্বনাশা প্রকল্পকে জায়েজ করবার চেষ্টা তাই সরকারকে আরও বেশি হেয় করে তুলছে। সুন্দরবন রক্ষার জন্য যারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিচ্ছেন তাঁদের ওপর উপর্যুপরি পুলিশী হামলা,হয়রানিতাঁদেরকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা ইত্যাদিতে এটাই প্রকাশিত হয় যেসরকার সুন্দরবনধ্বংসী প্রকল্পের বিরুদ্ধে জনমতের ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত। তাই যুক্তির কথা শুনতেশান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতেও তাদের ভয়। অপরাধী মন আতংকে দিশেহারা হলেই কেবল এরকম আচরণ সম্ভব।
গত ২১ অক্টোবর ভারতের এনটিপিসি ও বাংলাদেশের পিডিবির যৌথ উদ্যোগে গঠিত 'বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি'র পক্ষ থেকে সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনের প্রতি কটাক্ষ ও প্রকল্প সম্পর্কে ভুল ও বিকৃত তথ্যে ভরা এক বিবৃতি বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'কতিপয় ব্যক্তি ও সংগঠন' 'দেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করতে' রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কোম্পানির বক্তব্য হচ্ছে, 'এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিবেশ,জীববৈচিত্র ও এলাকার মানুষের ক্ষতি হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই।' তাদের ভাষায় যে 'কতিপয় ব্যক্তি ও সংগঠন' এই প্রকল্পের বিরোধিতা করছেন তার মধ্যে তাহলে কারা আছেনএই আন্দোলনে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎবন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি এবং কমিটিভুক্ত বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি ছাড়াও আছেন দেশি বিদেশি স্বাধীন বিশেষজ্ঞলেখকশিল্পীসাংবাদিক,পরিবেশবাদীসহ দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। শুধু দেশে নয়সুন্দরবনধ্বংসী সরকারের ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশ্নবিদ্ধসেজন্য এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে দেশের বাইরেও প্রতিবাদ বাড়ছে। এর বিরুদ্ধে আছে জাতিসংঘের ইউনেস্কো ও রামসারআছে দক্ষিণ এশিয়া মানবাধিকার ফোরাম,নরওয়ের অর্থসংস্থানকারী প্রতিষ্ঠান কাউন্সিল অব এথিক্স। ইউনেস্কো এরকম আশংকাও প্রকাশ করেছে যেএই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ যাবে। ইউনেস্কো এবং রামসার থেকে একাধিকবার সুন্দরবন ঘিরে একাধিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মুনাফামুখি তৎপরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। নরওয়ে সুন্দরবন ধ্বংসের এই প্রকল্পে যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলে ভারতের এনটিপিসিতে অর্থযোগান বন্ধ করে দিয়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্যাংক এই প্রকল্পে অর্থ যোগান না দেবার ঘোষণা দিয়েছে। এসবের বাইরেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এর নিন্দা জানাচ্ছে। আর দেশের ভেতরে শত বাধা সত্ত্বেও ক্ষোভ বিক্ষোভ বাড়ছেই। বস্তুত কোম্পানি ও কতিপয় দেশি বিদেশি সুবিধাভোগী ও কাণ্ডজ্ঞানলুপ্ত কিছু ব্যক্তি ছাড়া সকলেই এর বিরুদ্ধে। এমনকি সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ থেকেও এই প্রকল্প নিয়ে শুরুতেই আপত্তি করা হয়েছিলো।
কতিপয় ব্যক্তি ও কোম্পানি বাদে সকলের এই বিরোধিতা তৈরি হয়েছে সুন্দরবনের ওপর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যে ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলবে সে সম্পর্কে বিভিন্ন গবেষণা থেকে নিশ্চিত হবার মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞরা বিস্তারিত তথ্য ও যুক্তি দিয়ে দেখিয়েছেন যেপ্রাকৃতিক রক্ষাবর্ম হিসেবে বাংলাদেশের মানুষ ও প্রকৃতিকে যে সুন্দরবন রক্ষা করেএবং অসাধারণ জীববৈচিত্রের আধার হিসেবে যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে সেই সুন্দরবনকে ধ্বংস করবে এই প্রকল্প। বিভিন্ন প্রকাশনাগবেষণার মধ্য দিয়ে বিশেষজ্ঞরা কেনো এই কেন্দ্র বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থবিরোধীসুন্দরবন ও মানববিধ্বংসী তা বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্য যুক্তিসহ তুলে ধরেছেন।
গত ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার ঢাকায় বলেছেন, 'সকল আন্তর্জাতিক রীতিনীতি মেনে এই প্রকল্প করা হচ্ছে'। প্রকৃতপক্ষে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আইন তো বটেইভারতীয় আইনেও এই প্রকল্প গ্রহণযোগ্য নয়। ভারতের আইন ভঙ্গ করেই ভারতীয় কোম্পানি এই ধ্বংসাত্মক কাজে নিয়োজিত হয়েছে। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র মারাত্মক পরিবেশ দূষণ ঘটায় বলে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংরক্ষিত বনভূমি ও বসতির ১৫ থেকে ২৫ কিমি এর মধ্যে আর বৃহৎ কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়না। ভারতীয় কোম্পানী বাংলাদেশে সুন্দরবনের ৯-১৪ কিমির মধ্যে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে। বাফার জোন বিবেচনা করলে এই দূরত্ব ৪ কিমি। অথচ ভারতেরই 'ওয়াইল্ড লাইফ প্রটেকশান অ্যাক্ট ১৯৭২' অনুযায়ীবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৫ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে এবং ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় প্রণীত পরিবেশ সমীক্ষা বা ইআইএ গাইড লাইন ম্যানুয়াল ২০১০ অনুযায়ীকয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৫ কিমি এর মধ্যে কোন বাঘ/হাতি সংরক্ষণ অঞ্চলজৈব বৈচিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চলজাতীয় উদ্যান,বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য কিংবা অন্যকোন সংরক্ষিত বনাঞ্চল থাকা অনুমোদন করা হয় না। ভারতীয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের 'তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত গাইডলাইন১৯৮৭' অনুসারেও কোন সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ২৫ কিমি এর মধ্যে কোন কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ স্থাপন করা যায় না।
তারপরও এই ধ্বংসাত্মক প্রকল্পের সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বলা হচ্ছে যেএই প্রকল্পে সুপারক্রিটিকাল টেকনলজি ব্যবহার করা হবেসেজন্য সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না। এই প্রযুক্তিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে শতকরা ১০ ভাগ ক্ষতি কম হয়তাতে সুন্দরবনের ধ্বংসের সামগ্রিক ক্ষতি কীভাবে কমবেতাছাড়া এই প্রযুক্তি যদি সুন্দরবন ধ্বংস ঠেকানোর মতো এতো নিশ্চিত প্রযুক্তি হয় তাহলে ভারতীয় কোম্পানি কেনো ভারতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল ক্ষতি দূরীভূত করে না?
প্রথম থেকেই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারের জোরজবরদস্তিঅস্বচ্ছতা ও অব্যাহত অনিয়মের মধ্য দিয়েই এর ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষ ধারণা পেয়েছেন। কোম্পানির উক্ত বিবৃতিতে বিজ্ঞাপনের ভাষায় অসম্ভব দাবি করে বলা হয়েছেএ থেকে 'কোনো কালো ধোঁয়া নির্গত হবে না', 'কোনো দূষিত পানি বা গরম পানি নদীতে ফেলা হবে না', 'বায়ুদূষণের কোনো আশঙ্কা নেই'। অথচ প্রকল্পের কারণে এইসব অভিঘাত এতো অনিবার্য যেসরকারের 'পরিবেশ অভিঘাত সমীক্ষা'তেও এসব সমস্যার কথা শিকার করা হয়েছে। কোম্পানির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হলে সংলগ্ন এলাকায় কাজের সুযোগ তৈরি হবে'। এটা আসলে উল্টো কথা। কেননা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মসংস্থান হয় খুবই কম। আর এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নদীর পানি ও বনের ওপর যে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলবে তাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ যারা মৎস্য ও বনসম্পদের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন তাদের উদ্বাস্তু হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। কোম্পানির উক্ত বিবৃতিতে সুন্দরবন যে এখন সংকুচিত হয়ে আসছে তার জন্য দায়ী করা হয়েছে কৃষক ও জেলেদের। বিশাল সংখ্যক দরিদ্র মানুষের বিরুদ্ধে এটি এক কুৎসা। কারণ সুন্দরবনের বিপন্নতা ও সংকোচন তৈরি হয়েছে বন ও ভূমিদস্যুদের জন্যউপরন্তু বনবিনাশী বিভিন্ন তথাকথিত উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে,দরিদ্র কৃষক ও জেলেদের জন্য নয়। এই প্রকল্প তার সাথে যোগ হয়ে পুরো বন ধ্বংসের উপাদান তৈরি করবে।
কদিন আগেও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন পরিবেশ নষ্ট করে কোন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। অথচ বিশ্বের ইতিহাসে একটি ভয়ংকর পরিবশেধ্বংসী প্রকল্প রক্ষার জন্য সরকারকে বরাবরই অসহিষ্ণু দেখা যাচ্ছে। আমরা বহুবার সরকারের এরকম আক্রমণাত্মক আচরণের মুখে পড়েছি। কেনোএতে যদি প্রকৃতই উন্নয়ন হয় তাহলে প্রকাশ্যে বিতর্কে আসতে বাধা কোথায়জনমতের প্রতি এতো ভয় কেনোসুন্দরবনের সুরক্ষার জন্য আমরা সরকারের কাছে বার বার দাবী জানিয়েছিসুন্দরবন নীতিমালা প্রণয়ন করে ক্ষতিকর সব পরিবহণ এবং প্রকল্প বন্ধ করতে। কিন্তু সরকার সুন্দরবনের গুরুত্ব সম্পর্কে নির্লিপ্ত থেকে তার সুরক্ষার পরিবর্তে শুধু বিশাল কয়লাভিত্তিক একাধিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজই করছে নানানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ভূমি দস্যুদেরকে জমি দখলের সুযোগ করে দিয়েছে। কিছুদিন আগে মন্ত্রীসভা রামপালে আরেকটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অর্থবরাদ্দ দিয়েছে।
কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রীও অভিযোগ করে বলেছেন, 'সুন্দরবন নিয়ে আন্দোলনকারিরা কেবলমাত্র ভারতের কারণেই এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরোধিতা করছে।' খুবই ভুল কথা। আমরা বার বার বলেছিযেসব প্রকল্প সুন্দরবনের জন্য ধ্বংসকারি তা ভারতযুক্তরাষ্ট্ররাশিয়াচীন এমনকি যদি বাংলাদেশের কোন কোম্পানিরও হয় আমরা তার প্রবল বিরোধী। তিনি আরও বলেছেন 'আন্দোলনকারিরা মানুষকে রক্ষা না করে কেবল পশু-পাখি রক্ষায় আন্দোলনে নেমেছে।' আসলে সুন্দরবন শুধু যে অমূল্য অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ তাই নয় এটি রক্ষার সাথে কোটি কোটি মানুষের জীবনের নিরাপত্তাও জড়িত। সুন্দরবনধ্বংসী এসব তৎপরতা চলতে থাকলে দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগে সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়বেন। কেননা এই বন সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে খুবই শক্তিশালী প্রাকৃতিক সুরক্ষা বাঁধ হিসেবে কাজ করে। সুন্দরবন না থাকলে আসলে বাংলাদেশই অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
আমরা সরকারকে অনেক বিকল্প প্রস্তাব দেয়া সত্ত্বেও সরকার এতে কর্ণপাত করছে না। এই প্রশ্নটি অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন যেএই প্রকল্প নিয়ে সরকারের এতো জেদ কেনোকেনো বিশ্বব্যাপী নিন্দা ও বাংলাদেশে প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও ভারত এই প্রকল্প নিয়ে অগ্রসর হতে চায়শোনা যাচ্ছে,ভারতের অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে এই প্রকল্পের কাছেইআর এই এলাকাটি ভারতের জন্য কৌশলগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে অরক্ষিত এবং বিপর্যস্ত করেনিজেদের কলঙ্কিত করে হলেও সরকার কি সেকারণেই এই প্রকল্প নিয়ে এতো মরিয়া?
প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাতিসংঘের পরিবেশ পুরষ্কার 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পেয়েছেন। একহাতে এই পুরষ্কার আর অন্যহাতে বিশ্ব ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অতুলনীয় সম্পদ সুন্দরবনের মৃত্যু পরোয়ানাএটা হতে পারে না। কোম্পানির বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, 'সম্প্রতি শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ ঘোষিত হয়েছেন। সুতরাং তাঁর পক্ষে প্রাকৃতিক পরিবেশে ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ করার প্রশ্নই উঠে না।' আমরাও তাই বলতে চাই। এই পুরষ্কারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায় বেড়ে গেছে অনেক। সেজন্য আমরা আশা করিসুন্দরবন ধ্বংসী প্রকল্প বাতিল করে এই পুরষ্কারের প্রতি তিনি ও তাঁর সরকার সুবিচার করবেন এবং পরিবেশ বান্ধব হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করবেন। নয়তো তিনি ও তাঁরা ভয়াবহ পরিবেশ ধ্বংসকারী হিসেবেই নিজেদের ইতিহাসে ঠাঁই দেবেন। কারণ সুন্দরবন বিনাশী প্রকল্প উন্নয়নের নয় ধ্বংসের প্রকল্প।


--
Pl see my blogs;


Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

No comments:

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...