Pages

Wednesday, March 11, 2026

सारा तेल अमेरिका का?

ईरान खत्म और सारा तेल अमेरिका का अमेरिकी रिपब्लिकन सीनेटर लिंडसे ग्राहम ने ट्रंप समर्थक अमेरिकी टीवी चैनल फॉक्स न्यूज में दावा किया है कि सिर्फ 14 दिनों इराक खत्म हो जाएगा।दुनिया के नक्शे से मिट जाएगा ईरान।फिर सारा तेल अमेरिका का। युद्ध का असली मकसद यही है। ग्राहम ने दावा किया है कि ईरान और वेनेजुएला में दुनिया का कुल 31 प्रतिशत तेल है।यह सारा तेल अब अमेरिका का हुआ। “ইরানের মেয়াদ আর মাত্র ১৪ দিন… এরপর দেশটি শেষ।” সোমবার ফক্স নিউজে এমনই বাজি ধরে বললেন মার্কিন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম। মাত্র ৫ মিনিট ১ সেকেন্ডের একটি সাক্ষাৎকার। কিন্তু সেই কয়েক মিনিটেই এমন কিছু কথা বলেছেন তিনি যা শুনে স্তম্ভিত অনেকেই।নিজেও ফেঁসেছেন, বিপদে ফেলেছেন ট্রাম্পকেও। কি এমন মন্তব্য করেছিলেন তিনি? কয়েকটা অংশ দেখুন: লিন্ডসে গ্রাহাম বলেছিলেন, “বিশ্বের মোট তেলের ৩১ শতাংশ মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলা ও ইরানে। আমরা এই ৩১ শতাংশ তেলের মালিকানা পেতে যাচ্ছি। এটি চীনের জন্য দুঃস্বপ্ন। আমেরিকার জন্য ভালো বিনিয়োগ।” “ ইরানের ‘শাসকগোষ্ঠী এখন মৃত্যুর পথে। আগামী দুই সপ্তাহ পর তারা হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য হবে। তাদের এমন শাস্তি হবে, যা আগে কখনো হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র এমন সমৃদ্ধি পেতে যাচ্ছে, যা কেউ কখনো কল্পনা করেনি।” “ হ্যা, যুদ্ধে প্রথম চারদিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০কোটি ডলার খরচ হয়েছে, পরের দুদিনে আরও বেশী। তবে এতে চিন্তার কিছু নেই, এসবই আসলে বিনিয়োগ। যুদ্ধ শেষে ইরানের যে পরিমান তেলের মালিকানা পাওয়া যাবে তাতে তিনমাসেই এই অর্থ উঠে আসবে। ” “ আমি চাই সৌদি ও কাতার ইরানের বিরদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিক। আমরা তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করি। তাদের ভালো সক্ষমতা আছে।” মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের বক্তব্য শুনে গা জ্বলে উঠছে? তাহলে জানা যাক কে এই লোক। বিশ্লেষকরা বলছেন, যেসব ব্যক্তি ট্রাম্প প্রশাসনের ইসরায়েলপ্রীতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে সরব, তাদের মধ্যে অন্যতম এই গ্রাহাম। তার প্রথম পরিচয়, তিনি ইরানের ওপর হামলার মূল উদ্যোক্তা। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, শুরুতে ইরানে হামলার পরিকল্পনা ছিল না ট্রাম্পের। কিন্তু গ্রাহাম ইসারাইল সফর করে নেতানিয়াহুকে বোঝান ইরান আক্রমণ করা কতটা লাভজনক হবে। নেতানিয়াহু সাথে সাথে আগ্রহী হলেন। এরপর কীভাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধের জন্য রাজি করানো যায়, সে বিষয়ে নেতানিয়াহুকে পরামর্শ দেন গ্রাহাম। নেতানিয়াহু এরপর ট্রাম্পকে এমন কিছু গোয়েন্দা তথ্য দেখান, যা দেখে ট্রাম্পও ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ যুদ্ধ শুরু করতে রাজি হয়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, লিন্ডসে গ্রাহাম হয়তো সেই লোক, যার ‘প্ররোচনায়’ ইরান যুদ্ধটা হচ্ছে। এবার আরেকটি ভয়ানক তথ্য শুনুন। ভেনেজুয়েলার প্রধানমন্ত্রী নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রের অপহরণ এবং ইরানে হামলা এই দুটো কাজই করা হয়েছে, গ্রাহামের পরামর্শে, তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিতে। গ্রাহামের পোর্টফলিও আরও লম্বা। ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের কথা মনে আছে নিশ্চয়। এই যুদ্ধটা শুরুর জন্য তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশকেও প্ররোচিত করেন এবং সফল হন। গ্রাহামের সাজানো পরিকল্পনায় ইরাক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়, প্রাণ হারান ইরাকের ৩ লাখ বেসামরিক নাগরিক । গাজায় হামলা চালিয়ে জায়গা ফাঁকা করে ট্রাম্পের স্বপ্নের শহর তৈরি করার বুদ্ধিটাও কিন্তু গ্রাহামের। সিরিয়া ও লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপেরও পরামর্শক ছিলেন লিন্ডসে গ্রাহাম। এই দুটো দেশ এখন বিপর্যস্ত। এভাবে গত দুই দশক ধরে নিরলস ভাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বাঁধিয়ে যাচ্ছেন গ্রাহাম। ও হ্যা! সেই ফক্স নিউজ সাক্ষাৎকারের শেষদিকে গ্রাহাম আরেকটি ইঙ্গিতও দেন। উপস্থাপককে নিজের ক্যাপ দেখিয়ে তিনি বলেন, “দেখছেন? এতে লেখা Free Cuba। অপেক্ষা করুন… কিউবার মুক্তিও আসছে। আমরা বিশ্বজুড়ে অভিযান চালাচ্ছি। খারাপ লোকদের সরিয়ে দিচ্ছি। এরপর কিউবার পালা।” এবার আপনাকে একটা প্রশ্ন করি ? পৃথিবীতে যারা অশান্তি সৃষ্টি করে, আগ্রাসন দিয়ে অজস্র নিরীহ মানু্‌ষকে হ*ত্যা করে, শেষ পর্যন্ত ইতিহাস তাদের কী নামে ডাকে? #iran #war #Israel #Trump

No comments:

Post a Comment